কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ তো সবে শুরু হল : রাহুল গান্ধী

কৃষি বিল নিয়ে তুলকালাম চলছে রাজধানী দিল্লিতে। কৃষক বিক্ষোভে রীতিমত অস্বস্তিতে কেন্দ্রের মোদী সরকার। আর এই সুযোগ ছাড়তে রাজি নয় বিরোধী কংগ্রেস। মোদী সরকারকে এক হাত নিয়ে শুক্রবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন এই ধরণের বিক্ষোভ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সবে শুরু হল। এরকম আরও দৃশ্যের সাক্ষী থাকবে দেশ।

কৃষকদের বাস্তব পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে পদক্ষেপ নেয়নি কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বলে জানিয়ে এদিন রাহুল গান্ধী বলেন কৃষকরা সত্যের লড়াই লড়ছেন। তাঁদের কেউ দমাতে পারবে না। এই বিশ্বের কোনও শক্তির সামনেই মাথা নোয়াবেন না তাঁরা। যতক্ষণ না কৃষক স্বার্থবিরোধী এই বিল প্রত্যাহার করে না নেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন বিক্ষোভ জারি থাকবে।

কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন কৃষি নীতির প্রতিবাদে বিরাট কৃষক বিক্ষোভ রাজধানী নয়াদিল্লি পৌঁছবেই। এমনই অনড় মনোভাব। সারা ভারত কৃষক সভা ও বি়ভিন্ন কৃষক সংগঠনের আহ্বানে চলা এই বিদ্রোহী কৃষক মিছিলের চাপে হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ ও দিল্লি সরকার চরম উতকণ্ঠায়। ইতিমধ্যেই বার্তা দিয়েছে কৃষি মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ কথা মাথায় রেখে বিক্ষোভ বাতিল করুক কৃষকরা। সরকার আগামী ৩ ডিসেম্বর বৈঠকে বসছে।

প্রবল বিক্ষোভ ও উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বিজেপি শাসিত রাজ্য উত্তর প্রদেশ সরকারও চাপে পড়ে পিছু হটেছে। শুক্রবার রাতে মেরঠে থাকছেন বিক্ষোভকারীরা। সেখান থেকেই তাঁদের হুমকি, সরকার নতুন কৃষি নীতি বাতিল না করা পর্যন্ত ঘেরাও করা হবে রাজধানী। একমাসের খাবার নিয়ে এসেছি আমরা। সরকার সমঝে চলুক।

বিক্ষোভের নেতৃত্বে বামপন্থী কৃষক সংগঠন সারা ভারত কৃষকসভা (এআইকেএস) ও অন্যান্য সংগঠন। বিরোধী দল কংগ্রেস সহ অন্যান্যরা সরকারের সমালোচনায় সরব। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে, মেরঠ থেকে দিল্লি যাওয়ার জন্য তৈরি হাজার হাজার কৃষকের ক্ষোভ দ্রুত উত্তর প্রদেশের অন্যত্র ছড়াচ্ছে।

এই ইস্যুতে মোদী সরকারের কড়া সমালোচনা করেছে যুব কংগ্রেসও। তাঁদের দাবি চিনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বহিরাগত আক্রমণ ঠেকাতে পারে না কেন্দ্রের মোদী সরকার। কিন্তু কৃষকদের ওপর অকথ্য অত্যাচার চলছে। শুক্রবার ট্যুইট করে এই বার্তা দেয় যুব কংগ্রেস।

Reply