“এখানে চাকরি নেই, পরিযায়ী শ্রমিকদের বিজেপি শাসিত রাজ্যে যেতে হয়”, মন্তব্য দিলীপের

একুশের নির্বাচন এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে শাসক দলের পাশাপাশি বিরোধী দলগুলি ময়দানে নেমে পড়েছে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার আপন কে পাবে সেই নিয়ে শাসক-বিরোধী দুপক্ষই আশাবাদী।

সেই নিয়ে উত্তাপ আরো বাড়িয়ে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার কৈখালিতে চায় পে চর্চায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। আর সেখানে গিয়েই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

রাজ্যে কর্মসংস্থান না থাকার বিষয় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে দিলীপ ঘোষ বলেন,”রাজ্যে চাকরি নেই, শিল্প নেই। বিজেপি শাসিত রাজ্যে গিয়ে আয় করতে বাধ্য হন এখানকার শ্রমিকরা।

এখন এ রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের সংখ্যাই বেশি। এই সরকারের বিদায়ঘণ্টা বেজে গিয়েছে।” একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী কে “ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট”সরকার বলে দাবি করেন তিনি। একইসঙ্গে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, যে দল বিপর্যয় মোকাবিলা করতে ব্যর্থ তার ইস্তফা দেওয়া উচিত।

জনসংযোগ বাড়াতে চা চক্রের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে রাজ্য বিজেপি। এই চা-চক্রের অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো, রাজ্য সরকারের ভুলত্রুটিগুলো সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা।

সেই কারণেই শনিবার কৈখালীতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন দিলীপ। তিনি বলেন,”রাজ্যে চাকরি নেই, শিল্প নেই। বিজেপি শাসিত রাজ্যে গিয়ে আয় করতে বাধ্য হন এখানকার শ্রমিকরা।

এখন এ রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের সংখ্যাই বেশি। এই সরকারের বিদায়ঘণ্টা বেজে গিয়েছে।” যদিও এ দিনের চা-চক্রে শুভেন্দু অধিকারী কিংবা তাঁর পদত্যাগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি দিলীপ ঘোষ।

সকালের দিকে কৈখালীতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ যখন চা-চক্রে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় হাওড়ার বাঁকড়ায় বিজেপির মন্ডল সভাপতিকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠে।

জানা গিয়েছে,বাঁকড়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় বিজেপির মণ্ডল সভাপতি নিজামউদ্দিন শেখকে সিঁড়ি থেকে ঠেলে ফেলে দিয়েছে। অভিযোগের তীরে স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূলের দিকে। বিজেপি সদস্যরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ করার সময়ে এই বিপত্তি ঘটে বলে সূত্রের খবর।

Reply