“এ তো সবে শুরু, অহংকারের পরাজয় হবে”, কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে সুর চড়ালেন রাহুল

দিল্লিতে কৃষক আন্দোলন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষের সুরে বিঁধলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কেন্দ্রের মোদি সরকারের সঙ্গে ল’ড়াই শুরু হয়েছে বলে দাবি রাহুলের। এই অহংকারের শেষ হবে বলেও মনে করেন রাহুল। এই বিক্ষোভকে শেষের শুরু আখ্যা দেন তিনি।

বিতর্কিত কৃষি বিলের বিরোধিতা সারাদেশের বিভিন্ন কৃষক সংগঠনগুলি “দিল্লি চলো” অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন। পাঞ্জাব থেকে হাজার হাজার কৃষক এই অভিযানে যোগদান করেন।

হরিয়ানা পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটকানোর মত সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে গেছে। ব্যারিকেড জলকামান ব্যবহার করেও কৃষকদের আটকাতে ব্যর্থ হয় পুলিশ। অবশেষে কৃষকরা পৌঁছে যান দিল্লি সীমান্তে। বিক্ষোভকারী কৃষকেরা হরিয়ানা-সিঙ্ঘু সীমান্ত দিয়ে দিল্লিতে প্রবেশ করার চেষ্টা করেন।

প্রথমদিকে করোনা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে তাদেরকে দিল্লি সীমান্তে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। পরিবর্তে, কেন্দ্রের অধীনে থাকা দিল্লি পুলিশ কৃষকদের আটকাতে সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যায়।

জলকামান কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে তারা। কিন্তু সারা দিন ধরে পুলিশের সঙ্গে দীর্ঘ ল’ড়াইয়ের হার মানেননি কৃষকরা। শেষ পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ এই সকল কৃষকদের বন্দী করে রাখার জন্য একাধিক স্টেডিয়ামে অস্থায়ী জেল তৈরি করার অনুমতি চায়।

কেন্দ্র সেই নির্দেশ দিলেও কেজরিওয়াল নির্দেশ দেননি। ফলস্বরূপ বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তার করা যায়নি। অবশেষে বাধ্য হয়ে দিল্লির বুরারি হাউসের মাঠে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় কৃষকদের। বিষয়টিকে কৃষক সংগঠন নেতারা নিজেদের জয় হিসেবেই মনে করছেন।

কৃষকদের এই না হেরে যাওয়ার মানসিকতাকে সম্মান জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এদিন তিনি টুইট করে লেখেন, “প্রধানমন্ত্রীর মনে রাখা উচিত অহংকার যখন সত্যের মুখোমুখি হয়, তখন পরাস্ত হয়।

সত্যের জন্য লড়াই করা কৃষকদের দুনিয়ার কোনও শক্তি আটকাতে পারবে না। মোদি সরকারকে কৃষকদের দাবি মানতেই হবে। এটা তো সবে শুরু।” ইতিপূর্বে টুইট করে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীকে বলেন,কেন্দ্রীয় সরকার চীনের বিরুদ্ধে যু’দ্ধ করতে পারে না ঠিকই, কিন্তু কৃষকদের সঙ্গে ভালই যু”দ্ধ করতে পারেন।

Reply