বিজেপি বাংলার ক্ষমতায় এলে, মুখ্যমন্ত্রী হবে কে?

আসন্ন ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপরীতে একটি মুখকে হাজির করা। যে চেহারাকে তারা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রজেক্ট করতে পারবে। কিন্তু সেই তালিকায় কে কে আছেন? বিজেপিতে কয়েকজন দাদার নাম শোনা যাচ্ছে, তাদের দিয়েই নাকি এই নির্বাচন উতরাতে চাই বিজেপি

দিলীপ ঘোষ:
২০১৫ সাল থেকে বাংলায় পার্টির সমস্ত কার্যভার সামলাচ্ছেন। তালিকায় সবচেয়ে ওপরে তারই নাম উঠে আসছে বিজেপি মুখ্য়মন্ত্রীত্বের দাবিদার হিসাবে। RSS থেকে উঠে আসা দিলীপবাবু এখন একজন সাংসদও। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে তাঁকেই আনা হতে পারে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে।

বাবুল সুপ্রিয়:
বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীত্বের লড়াইয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। যেখানে সাংসদ হিসাবে দিলীপ বাবুর এটা প্রথম টার্ম, সেখানে আসানসোল থেকে বাবুল দ্বিতীয়বার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। বিজেপির মুখ হওয়ার ক্ষমতা অবশ্যই আছে রূপলী পর্দার সফল তারকা বাবুলের।

মুকুল রায়:
এক সময়ে দিদির খাস মুকুল বাবুর অধিকারটাকেও কিন্তু খাটো করে দেখা যাচ্ছে না। তাঁর সাংগঠনিক বুদ্ধির কারণেই কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বিজেপির খুঁটি শক্ত হয়েছে। ফলে মুকুল রায়ের হাত বিজেপিতে আসা দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম পছন্দ কিন্তু তিনিই

তথাগত রায়:
মেঘালয়ের প্রাক্তন গভর্নর তথাগত রায় ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরার। একটি ইংরাজি সংবাদ মাধ্যমে তাঁর বক্তব্যকে প্রকাশ করে লেখা হয় “After my tenure as the governor ends, I would like to return to active politics and serve West Bengal. After I return to my state, I will talk to the party (about it). It is up to them to accept or reject my proposal”

এখানে একটা কথা বলা দরকার যে তথাগত রায় কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সভাপতি ছিলেন ২০০২ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভাবমূর্তি সম্পর্কে তিনি বহুবার চিন্তা প্রকাশও করেছেন। ফলে তাঁর এই পদপ্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনাও কম নয়।

(বোনাস) সৌরভ গাঙ্গুলী:
উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় যোগী আদিত্যনাথের নাম কেউ শোনেনি। কিন্তু কেন্দ্রীয় বিজেপি ব্যাপারটিকে পুরোপুরি গোপন রাখে। তারপর বিজেপি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরেই তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়।

ফলে পশ্চিমবঙ্গে এমনটা হবে না তার কোনও নিশ্চয়তা দেওয়া যাচ্ছে না তাঁর BCCI -এর প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে যে ২০২১ সালের নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে তাঁকে ব্যবহার করতে পারে বিজেপি। ফলে মুখ্যমন্ত্রীত্বের অফারটাও তাঁর কাছে এলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

Reply