উইকিপিডিয়ায় চিনের দখলে আকসাই চিন, ম্যাপ সরানোর নির্দেশ মোদী সরকারের

শুধু ভারত নয়, বিশ্বের একাধিক দেশে দখলদারি চালাতে চিনের জুড়ি নেই। অপর দেশের ভূ-খণ্ডে থাবা বসানোর চেষ্টা বেজিংয়ের জন্য নতুন নয়। লাদাখেও বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে সেই দখলদারির। প্রবল শীতেও চিনকে রুখতে লাদাখে অবস্থান নিয়েছে ভারত। এরই মধ্যে নয়া বিতর্ক।

উইকিপিডিয়ায় থাকা ম্যান অনুযায়ী, চিনের দখলে আকসাই চিন। আর তা দেখেই ক্ষুব্ধ ভারত। ইতিমধ্যেই ম্যাপ সরাতে নির্দেশ দিয়েছে মোদী সরকার।

মার্কিন সংস্থা ‘উইকিপিডিয়া’র তরফে আকসাই চিনকে চিনের অংশ বলে দেখানো হয়েছে। আর তাতেই আপত্তি জানিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

বিষয়টি নিয়ে উইকিপিডিয়ার মন্তব্য এখনও জানা যায়নি। গত ২৭ নভেম্বর ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের সচিব অজয় সাহানি উইকিপিডিয়াকে চিঠি দেন বলে জানা গিয়েছে। যেখানে তিনি তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারায় সরকারি আদেশ নামার কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের সচিব অজয় সাহানি উইকিপিডিয়াকে চিঠি দেন বলে জানা গিয়েছে। যেখানে তিনি তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারায় সরকারি আদেশ নামার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেখানে তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এটি ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে লঙ্ঘন করেছে। পাশাপাশি ভারত সরকারের তরফে আরও অভিযোগ করা হয়েছে এর মাধ্যমে জাতির সার্বভৌমত্ব এবং সম্প্রীতি বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারা অধীনে এই আদেশ কার্যকর করে এই ম্যাপ মুছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ওই সচিব জানিয়েছেন, ম্যাপটিকে ভুল ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এক ব্যক্তি উইকিপিডিয়ার এই ভুল ম্যাপ টুইটারের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নজরে আনেন। এব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের সামনে দুটি পথ খোলা রয়েছে। উইকিপিডিয়ার বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইন প্রয়োগ করা, তা না হলে আইনের ধারা বলে ওই ওয়েবসাইটকে ভারতে নিষিদ্ধ করে দেওয়া।

এর আগে ভারত সরকারের তরফে চিনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত প্রায় ২৫০ টির মতো মোবাইল অ্যাপ দেশে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর আগেও যেখানে ভারত ও ভূটানের বিতর্কিত মানচিত্র প্রকাশ করা হয়েছিল উইকিপিডিয়ায়। দুদেশের সম্পর্ক এবং আলোচনা নিয়েও ভুল তথ্য পরিবেশন করা হয়েছিল। তথ্যের ভাণ্ডার উইকিপিডিয়া তথ্যের ভাণ্ডার উইকিপিডিয়া অনলাইন তথ্যের অন্যতম ভাণ্ডার হল উইকিপিডিয়া। এটি চলে স্বেচ্ছাসেবকদের তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে। যা কিনা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে একেবারেই আলাদা।

Reply