বন্ধু দেখা হবে’… শীলভদ্র দত্তের পোস্ট ঘিরে বাড়ছে জল্পনা…

বারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র দত্তের সঙ্গে দেখা করতে এসে মঙ্গলবার হতাশ হয়ে ফিরে গিয়েছিলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী তথা উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

শীলভদ্র দত্ত বাড়িতে না থাকায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয়নি বারাকপুরের ‘বেসুরো’ এই তৃণমূল বিধায়কের।

এরই মধ্যে ফের এক ইঙ্গিতবহ ফেসবুক পোস্ট করেছেন তিনি। সেই পোস্টে তিনি গেরুয়া রঙের মধ্যে লিখেছেন, “বন্ধু দেখা হবে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পোস্ট ও বেশ ইঙ্গিতবহ। বারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক কি বিজেপির দিকে ঝুঁকে পড়েছেন? এই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে বারাকপুরের রাজনৈতিক মহলে।

খাদ্যমন্ত্রী আসার পর বারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত বলেছিলেন, “ও আমাকে সময় না জানিয়ে আমার বাড়িতে এসেছিল। ও সময় জানিয়ে আসলে নিশ্চই ওর সঙ্গে দেখা হত। এখন আমার কাছে এসে কি হবে ? ট্রেন স্টেশন থেকে ছেড়ে দিয়েছে। বৈধ টিকিট থাকলেও আর ট্রেনে ওঠা সম্ভব নয়। দলের ভেতরে কি সমস্যা আছে ও সবই জানে। তবে আমি বলছি না আমার কোনও সমস্যার কথা। আমি শুধু বলছি ভোটে দাঁড়াব না। ও জেলা সভাপতি, রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও জেলায় কোথায় কি সমস্যা, সবই জানে।”

তিনি আরও বলেন, “আমার প্রশ্ন হল, সেই সমস্যা এতদিন কেন মেটাননি? দল আমার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা না করলে আমি হয়ত বেঁচে ফিরতাম না। সারা জীবন দলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ থাকবো। তাই বলে যে যা খুশি বলবে, সেটা হতে পারে না। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আমার দীর্ঘদিনের বন্ধু। রাজনীতির বাইরে কোনও ব্যাক্তিগত অনুষ্ঠানে বা ব্যাক্তিগত ভাবে কথা বলতে চাইলে নিশ্চই কথা বলব। তবে রাজনীতি নিয়ে ভোটের আগে কোনও কথা বলার পরিস্থিতি নেই। আমি নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি তৃণমূলের টিকিটে প্রার্থী হব না। বাকি কি হবে? আমি রাজনীতি করব না সন্যাস নেব সেই সিদ্ধান্তের বিষয় এখনো মনস্থির করিনি। সেরকম কিছু সিদ্ধান্ত নিলে পরে জানাব।”

Reply