“পাণ্ডবেশ্বরে পা দিয়ে দেখা, ঠ্যাং ভে’ঙে দেব”,জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে হুমকি ব্লক তৃণমূল সভাপতির

জিতেন্দ্র তিওয়ারি পুরো প্রশাসকের পদ থেকে সরে এসেছেন। তাঁকে ছেড়ে কথা বলেননি পাণ্ডবেশ্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। পাণ্ডবেশ্বরে জিতেন্দ্র তিওয়ারি পা রাখলে পা দিলে তা ভে’ঙে দেওয়ার হু’মকি দিলেন পাণ্ডবেশ্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।

শুক্রবার দুপুরে পাণ্ডবেশ্বরে ব্লক তৃণমূল সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে “উৎসব র‌্যালি”র আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে এদিন জিতেন্দ্র তিওয়ারির কুশপুত্তলিকাও দাহ করা হয়।

এদিনের মিছিল থেকে পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে পাণ্ডবেশ্বরে ব্লক তৃণমূল সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তিনি বলেন,”যদি বাপের ব্যাটা হোস তাহলে পাণ্ডবেশ্বরে পা দিয়ে দেখা, ঠ্যাং ভে’ঙে দেব।”

জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে মীরজাফর বলেও কটাক্ষ করেন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। জিতেন্দ্রকে তোপ দেগে তিনি বলেন,”এক বেইমানকে ৫ বছর আগে আমরা বিধায়ক করেছিলাম।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সভাপতি করেছিলেন। তাঁকে মেয়র করেছিলেন। ওই মীরজাফর আমাদের নেত্রীর পিছন থেকে ছু’রি মে’রেছে। দল, তৃণমূল এবং পাণ্ডবেশ্বরের জনগণের সঙ্গে বেইমানি করে পালিয়ে গিয়েছেন।”

কিছুদিন আগে,রাজনৈতিক কারণে আসানসোল পুরসভাকে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে চিঠি লিখেছিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন,কেন্দ্রের স্মার্ট সিটি প্রকল্পের ২০০০ কোটি টাকা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের টাকাও পায়নি বলে অভিযোগ করেন। কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের টাকা নিয়ে তাঁদের রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত করা হয়েছে। যার কারণে আসানসোলের ক্ষতি হয়েছে। সেই চিঠিতে সমর্থন জানিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়।

এরই মধ্যে জিতেন্দ্রকে ফোন করেন ফিরহাদ হাকিম। মঙ্গলবার আবার বৈঠকের আয়োজন করেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কিন্তু বৈঠকে আসতে রাজি হননি জিতেন্দ্র। তারপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে ফোন করেন। কিন্তু বৈঠকের আগেই বৃহস্পতিবার পুরপ্রশাসক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জিতেন্দ্র।

Reply