“রবি ঠাকুরকে সম্মান করতে জানে না, বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখে”, বিজেপিকে কটাক্ষ সুব্রতর

বিজেপির ব্যানারে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আগে স্থান পেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাজ্যের শাসক দলের পক্ষ থেকে এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

রবিবারের সাংবাদিক বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে সরব হলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়। নাম না করে মীরজাফর, জগৎ শেঠদের সঙ্গে তুলনা করলেন সদ্য দল থেকে বেরিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে।

একুশের বিধানসভা নির্বাচন আসতেই রাজনৈতিক পারদ ঊর্ধ্বমুখী। বাংলা সফরে আসার আগেই বিজেপির পোস্টার ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আহবান জানাতে বোলপুর শহর বিজেপি পোস্টার এবং ব্যানার দিয়ে মুড়ে ফেলে।

কিন্তু সেই ব্যানার ফ্লেক্সে দেখা গিয়েছে অমিত শাহের ছবির নিচে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি, তার নিচে আবার স্থানীয় বিজেপি সাংসদ অনুপম হাজরার ছবি। ব্যানারে অমিত শাহর নিচে রবীন্দ্রনাথের স্থান কেনো?এই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিক্ষুব্ধ রবীন্দ্রপ্রেমীরা।

রবীন্দ্রপ্রেমীদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে দিনভর তৃণমূল ছাত্র সংগঠন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে। এই নিয়ে সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন,”যাঁরা বাংলার সংস্কৃতি বোঝেন না, বাংলার গর্ব বিদ্যাসাগর-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান দেয় না, তাঁরা আবার বাংলা দখলের স্বপ দেখেন।”

তাঁর আরো দাবি,জেপি নাড্ডার নিরাপত্তা, কৃষকনিধি থেকে আয়ুষ্মান ভারত সব কিছু নিয়েই মিথ্যা বলেছেন অমিত শাহ।

এদিন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরিসংখ্যান তুলে ধরে অমিত শাহকে ভুল প্রমাণিত করার চেষ্টা করেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন,”দেশের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে এ ধরণের অসত্য তথ্য আশা করা যায় না।”

শুভেন্দু অধিকারীর সহ যারা ইতিমধ্যে তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছে সেই প্রসঙ্গে সুব্রত বলেন,”যাঁরা এভাবে দল ছাড়েন তাঁরা বিশ্বাসঘাতক। তাঁরা মীরজাফর, জগৎ শেঠ। মানুষ এঁদের ক্ষমা করে না।” তিনি আরো বলেন,”একা শুভেন্দুকে নিয়েই ২৫০ আসনের স্বপ্ন দেখছে। এরপর কোনদিন তো বলে বসবেন ৩০০-এর বেশি আসন পাবে! এখনই সামলে নেওয়া উচিৎ।”

Reply