“পুরো বাংলা শুভেন্দু ময় হয়ে যাবে” মন্তব্য অমিতের

মাত্র সাত মাস আগে তমলুক বিধানসভা কেন্দ্র থেকে আড়াই লাখেরও বেশি ভোটে জিতে পুনর্বার সাংসদ হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসের এক বর্ষিয়ান নেতা শুভেন্দু অধিকারী কে নিজের স্টাডিতে ডেকে বলেছিলে,”শোন, রাজনীতিতে খুব ভেবেচিন্তে এগোবি। ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দলে তোর কিন্তু কোনো ভবিষ্যত নেই”।

ততদিনে ওই বর্ষিয়ান নেতা রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছেন। কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা ছিলেন তিনি। এই বছর তার মৃত্যু হয়েছে। সেই বর্ষীয়ান নেতার সঙ্গে তৎকালীন সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ গিয়েছিলেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে।

সেই সময় শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে ওই বর্ষিয়ান নেতা বলেছিলেন,”এই ছেলেটি সম্ভাবনাময়। পরিশ্রম করতে পারে। অকৃতদার। বড় কথা হলো, মাটিতে পা রেখে রাজনীতি করে।”সেই সময় থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারিকে দলে টানার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল।

নয়াদিল্লিতে অমিত শাহ এবং শুভেন্দু অধিকারীর এক বৈঠক হয়েছিল। তবে সেই সম্পর্কে কোন কিছুই প্রকাশ পায়নি। তারপর রাজনীতির পালাবদলের মধ্যেই, শুভেন্দু অধিকারীকে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেন মমতা।

সেদিন থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর সম্পর্কের অবনতি। তারপর থেকেই হয়তো সেই বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতার মন্তব্য ,”ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দলে তোর কিন্তু কোনো ভবিষ্যত নেই!” কথাটি বারবার মনে করতেন শুভেন্দু।

কেটে গিয়েছে পাঁচটি বছর। লোকসভা কেন্দ্রে বাংলায় বিজেপির আশানুরূপ ফলাফল। তখনই হয়তো মুখ্যমন্ত্রীর ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলতে শুরু করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

বর্তমানে শুভেন্দু বিজেপিতে। যখন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন, শুভেন্দুর খোঁজ নিয়েছিলেন অমিত শাহ, মুখ্যমন্ত্রী নেননি। শুভেন্দুর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অমিত শাহ। সেইসঙ্গে অমিত শাহ বলেছিলেন,”আপনি আসুন, সারাবাংলা শুভেন্দুময় হয়ে যাবে।”

Reply