”যিনি তিন ধর্মে তিনবার বিয়ে করেছেন তাঁর নীতি কথা সাজে না”, নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

জগদ্দলে অর্জুন সিং এর এলাকায় চায় পে চর্চা গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আর সেখান থেকেই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে কটা’ক্ষ করতে ছাড়লেন না দিলীপ।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, “বাংলার মানুষ তাঁদের অনেক কিছু দিয়েছেন, কত সম্মান, কত মর্যাদা। কিন্তু ত তাঁরা কি দিয়েছেন বলতে পারেন? মানুষ হিসেব চাইবে না?”

এখানেই শেষ নয়। মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ আরো বলেন, “আমি কারো ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে চাইনা। কিন্তু যিনি তিন ধর্মে তিনবার বিবাহ করেছেন তাঁর নীতি কথা সাজেনা।

দুর্ভি’ক্ষে নেই, ম’হামা’রীতে নেই, আম্ফানে নেই, দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। তাঁদের নীতিকথা শুনবো না।” দিলীপ ঘোষ বলতে চাইছেন, রাজ্যের মানুষের বি’পদে যিনি নেই তার মুখে নীতিকথা তিনি শুনতে চান না।

শান্তিনিকেতনে অমর্ত্য সেনের বাড়ি এবং বিশ্বভারতীর জায়গা নিয়েছে বি’বাদ চলছে সেই নিয়ে অমর্ত্য সেনকে চিঠি লিখে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

গত সোমবার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। চিঠিতে তিনি লেখেন, “আপনার দৃঢ়তা আমাকে অপার শক্তি যোগাচ্ছে”।

এই নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতায় এখন একে ওকে জড়িয়ে বাঁচতে চাইছে। যখন দেখছে মানুষ সরে যাচ্ছেন,

তাঁরা ব্রাত্য হয়ে যাচ্ছেন তখন এসব কথা বলছেন। কিন্তু এতে লাভ হবে না। মানুষ সব জানে। যাদের এক পয়সাও অনুদান নেই, তাদের কথা কেউ শুনবে না।”

গতবছর মোদি সরকারের বিভিন্ন কাজ নিয়ে সরব হয়েছিলেন অমর্ত্য সেন। নোট ব’ন্দির সিদ্ধান্তকে তুঘলকি সিদ্ধান্ত বলে দাবি করেছিলেন তিনি।

ক’রোনা পরিস্থিতিতে সরকারের আর্থিক প্যাকেজ কে ভা’ওতা বলে উল্লেখ করেছেন অমর্ত্য সেন। তাঁর একান্ত অনুগত ছাত্র নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থন করেছিলেন নিজের শিক্ষক কে। সেই নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে।

Reply