কোটি কোটি টাকার ইউরেনিয়াম পাচার রুখল ঢাকার পুলিশ

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার রামপুরা এলাকার একটি বাড়ি থেকে আনুমানিক ৫৫ কোটি টাকা মূল্যমানের ইউরেনিয়াম বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‍্যাব) বাহিনির অভিযানে ধরা পড়েছে পাচারকারীরা।

র‍্যাব জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পূর্ব রামপুরার ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা মূল্যের ইউরেনিয়াম মিলেছে। তিনজন কে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেরায় ধৃতেরা জানায়, তারা বিভিন্নভাবে ইউরেনিয়াম কিনে বেআইনিভাবে বিক্রি করে।

তদন্তকারী অফিসারদের দাবি, ধৃতেরা কোথা থেকে ইউরেনিয়াম কিনেছে, কাদের কাছে বিক্রি করত সে বিষয়ে খোঁজ খবর চলছে। বিবিসি জানাচ্ছে, চামড়ার যে বাক্সে ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে, সেটির গায়ে লেখা রয়েছে, ইউরেনিয়াম অ্যাটমিক এনার্জি মেটালিক এলিমেন্ট, অ্যাটমিক ওয়েট ২২২.০৭ (এ) ২ এলবি ল্যাবপ্রস।

সেই সঙ্গে রিমোট কন্ট্রোল, ম্যানুয়াল বই, গ্যাস মাস্ক, ইলেকট্রিক মিটার, রাবারের ড্রপার, ইত্যাদি পাওয়া গেছে। এর আগেও বাংলাদেশে ইউরেনিয়াম বিক্রির অভিযোগে আটকের ঘটনা ঘটেছে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের অগাস্টে ঢাকায় তে’ জ’ স্ক্রি’ য় পদার্থ ইউরেনিয়াম বেচা-কেনার সাথে জড়িত এমন ১১ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ।

তাদের কাছ থেকে দুই পাউন্ড ওজনের ইউরেনিয়ামও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রাক্তন সদস্য ড. মহম্মদ আহসান বিবিসি কে জানান, সাধারণত নির্দিষ্ট মানের ইউরেনিয়াম অ’ স্ত্র তৈরিতে কাজে লাগে।

তবে সেজন্য অনেক পরিকাঠামোর দরকার হয়। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই কালোবাজারে ইউরেনিয়াম কেনাবেচার চেষ্টা করা হয়। ইউরেনিয়ামের বিভিন্ন মান রয়েছে। সেই মান অনুযায়ী ইউরেনিয়াম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র অথবা পরমাণু অ’ স্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া কিছু শিল্পেও ব্যবহৃত হয়।

Reply