চি’না দূতাবাস থেকে ছাঁ’টাই একাধিক ভার’তীয় কর্মী…

নয়া চাল বেজিংয়ের। নয়াদিল্লিতে চিনা দূতাবাস থেকে ছাঁটাই করা হল একাধিক ভারতীয় কর্মীকে। কিন্তু কেন তাঁদের ছাঁটাই করা হয়েছে, সেবিষয়ে কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি চিনা দূতাবাসের আধিকারিকরা। যদিও গোটা বিষয়টিকে রুটিন প্রক্রিয়া বলেই ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছে ভারতের চিনা দূতাবাস। ইন্ডিয়া টুডের সূত্র বলছে এই বিষয়ে কোনও তথ্যই দিতে চাইছে না নয়াদিল্লির চিনা দূতাবাস।

দূতাবাসের কর্মীরা জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন ভারতীয় কর্মীকে কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আর এই ছাঁটাই রুটিন প্রক্রিয়ার মধ্যেই পড়ছে। প্রত্যেক ভারতীয় কর্মীর সঙ্গেই চিনা দূতাবাস সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলে। গোটা বিষয়টিই কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অন্তর্গত। এতে কোনও আলাদা গুরুত্ব দেওয়ার দরকার নেই।

তবে ২০২০ সালের জুন মাসে পাকিস্তানে ভারতীয় দূতাবাসের কর্মীদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করা হয়। যা নিয়ে পরে যথেষ্ট জলঘোলা হয়। দিল্লিতে দু’জন পাকিস্তান হাই কমিশনের আধিকারিককে বহিষ্কৃত করার দু’দিনের মধ্যেই ভারতীয় দূতাবাসের দুই কর্মী নিখোঁজ হন। জোর করে ১০ ঘন্টা অজ্ঞাত জায়গায় আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল ১৫ই জুন এই অপহরণ করে আইএসআই বা পাক গুপ্তচর সংস্থা। উল্লেখ্য, দিল্লিতে দু’জন পাকিস্তান হাই কমিশনের আধিকারিককে বহিষ্কৃত করার দু’দিনের মধ্যেই এমন ঘটনা ঘটে। ঐ দুই ব্যাক্তি রাজধানীতে হাই কমিশনের ভিসা সেকশনে কাজ করতেন।

শুধু তাই নয়, ভারতের তরফে দুই ব্যক্তির গাড়ির চালকদেরও বহিষ্কার করা হয়। জানা গিয়েছিল ওই দুই পাক কর্মী আবিদ হুসেন ও মহম্মদ তাহির স্পাই রিংয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
এদিকে, পাকিস্তানে ভারতের হাই কমিশনের সঙ্গে যুক্ত দুই ভারতীয় আধিকারিক নিখোঁজ হয়ে যান। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, দু’জন ভারতীয় হাই কমিশনের কর্মী CISF চালক এবং তাঁরা সেই মুহূর্তে ‘অন-ডিউটি’ ছিলেন এবং তাঁরা তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছতে পারেননি।

দ্রুত এই বিষয়ে পাক সরকারকে জানায় ভারত। সব তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়। পাকিস্তানের মাটিতে ভারতীয় দূতাবাসের দুই কর্মীকে অপহরণ করার প্রেক্ষিতে পাকিস্তান হাই কমিশনের দূতকে ডেকে পাঠায় নয়াদিল্লি। বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর মেলে ভারতে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত সইদ হায়দার শাহকে সমন করা হয়। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তার জবাব তলব করে সমন পাঠানো হয় বলে জানায় বিদেশমন্ত্রক।

পরে পাক সংবাদমাধ্যম জানায়, তাঁরা নাকি বড়সড় পথ দুর্ঘটনা ঘটিয়েছিলেন। হিট অ্যান্ড রান কেসের অভিযোগ আনা হয়েছিল পাকিস্তানে ভারতীয় দূতাবাসের দুই কর্মীকে। সেই প্রেক্ষিতেই গ্রেফতার করা হয় ওই দুই কর্মীকে। এমনই জানায় পাকিস্তানের বেশিরভাগ সংবাদমাধ্যম। তবে পরে জানা যায় ওই দুই কর্মীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্রঃ kolkata24x7

Reply