Monday , September 20 2021
Breaking News

রাস্তা চাই, চলতি পথে ধানের চারা পুঁতে প্রতিবাদ

ইংলিশবাজার : দীর্ঘদিন ধরে বেহাল রাস্তা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় রোগীর। বাধ্য হয়ে রাস্তার দাবিতে ধানের চারা পুঁতে পথ টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ গ্রামবাসীদের। বলতে চাইলেন রাস্তা আর রাস্তা নেই। তা ধানক্ষেত হয়ে গিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে মালদহের (maldah) হরিশচন্দ্রপর থানার হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নং ব্লকের কুশিদা গ্রাম (village) পঞ্চায়েতের (panchayat) লক্ষীপুর গ্রামে। অবরোধের (road strike) জেরে যানজটের (traffic) সৃষ্টি হয়।

জানা গিয়েছে,দীর্ঘ দশ বছর ধরে লক্ষীপুর গ্রামে প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তা খানাখন্দ হয়ে রয়েছে।,দীর্ঘ দশ বছর ধরে লক্ষীপুর গ্রামে প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তা খানাখন্দ হয়ে রয়েছে।প্রতিদিনই ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটছে এই রাস্তায়।রাস্তা বেহাল হওয়ায় বর্ষার শুরুতেই চলাচল ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে। এক হাঁটু কাদা ভেঙে পারাপার করতে হয় স্থানীয়দের।এরই প্রতিবাদে এদিন বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা।রাস্তাটি তৈরি হওয়ার পর ১০ বছর ধরে কোনো সংস্কারই হয়নি।মূলত ১০ টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে নিত্যদিন ওই বেহাল রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।নসরপুর,ভেলাবাড়ি,চন্ডিপাড়া ও গাররা-ভাটল প্রভৃতি গ্রাম সহ বিহার রাজ্যের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ রয়েছে এই রাস্তার।

গ্রামের বাসিন্দা বাসিন্দা টিটুন ঠোগদার জানান,তার বাবা সোনাতন ঠোগদার প্রায় পনেরো দিন ধরে অসুখে ভুগছিলেন। শাররীক অবস্থার অবনতি হলে বুধবার মালদায় এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ার কথা বললে রাস্তা খারাপের জন্য আসতে অস্বীকার করে।অটোতে করে নিয়ে যাওয়ার পথে রাস্তাতেই মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ।

গ্রামের আরেক বাসিন্দা নকুল চন্দ্র ঠোগদার জানান ২০১৭ সালের বন্যার পর রাস্তাটি আরো খারাপ হয়ে গেছে।রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে প্রশাসন কর্তাদের বহুবার জানানো হয়েছে।ভোটের আগে জনপ্রতিনিধিরা এই রাস্তা মেরামতের আশ্বাস দিলেও তাতে কোনও রকম কাজ হয়নি। বর্তমানে রাস্তার হাল এতটাই খারাপ যে,কোথাও হাঁটু সমান জল, কোথাও আবার বৃষ্টির জমা জল বইছে রাস্তার উপর দিয়ে। রাস্তার উপরে জল জমে দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বর্ষা শুরু হতেই মশা-মাছির উপদ্রব বেড়েছে।আর স্থানীয় বাসিন্দারা এভাবেই বছরের পর বছর খানাখন্দে ভরা কর্দমাক্ত এই পথ দিয়ে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন আট থেকে আশি সকলেই।ছেলে মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে ভয় করেন অভিভাবকেরা। মাঝরাতে চিকিৎসা করাতে কিংবা গর্ভবতী মায়েদের এই পথ দিয়ে হাসপাতলে পৌঁছতে কার্যত নাভিশ্বাস ওঠে।

জেলা পরিষদের সদস্য সন্তোষ চৌধুরী জানান,রাস্তাটি সংস্কারের জন্য জেলা পরিষদকে জানানো হয়েছে।বর্ষার পর রাস্তাটি সংস্কার করার আশ্বাস দেন।আমরাও ওই রাস্তাটি দ্রুত সারাই করা হোক।

About A..

Check Also

পীযূষের নিশানায় হিদেসি ই-কমার্স সংস্থা।

ছোট ব্যবসা খেয়ে নিচ্ছে আমেরিকার ই-কমার্স, মন্ত্রীর নিশানায় কি অ্যামাজন, ওয়ালমার্ট

মাইক্রোব্লগিং সাইট থেকে এ বার আমেরিকার ই-কমার্স সংস্থার সঙ্গে সঙ্ঘাত গড়াল ভারতের। নাম না করে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *